দেশের প্রতিটি টোল প্লাজায় স্যালুট করে সন্মান জানাতে হবে সেনাকে! জারি হল নতুন নিয়ম

দেশের জন্য নিজের প্রাণ বলিদান করে দেওয়া জওয়ানদের (Indian Army) সন্মানের জন্য এবার সরকার বড়সড় পরিকল্পনা নিলো। সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, দেশের যেকোন টোল প্লাজা (Toll Plaza) থেকে সেনার গাড়ি গেলে, সেনাকে সন্মান নেওয়ার জন্য স্যালুট জানাতে হবে। ন্যাশানাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (NHAI) দেশে সমস্ত টোল প্লাজায় এই সার্কুলার জারি করেছে। এমনকি এই নিয়মের পালন হওয়াও শুরু হয়ে গেছে।

এখনো পর্যন্ত টোল প্লাজা দিয়ে যাওয়া সেনার জওয়ানদের কোন স্যালুট জানানো হত না। শুধু তাই, সেনার সাথে দুর্ব্যবহার করার অনেক মামলা সামনে এসেছিল। যখন থেকে টোল প্লাজায় ফাস্ট ট্যাগ পরিষেবা শুরু হয়েছে, তখন থেকে এই দুর্ব্যবহারের অভিযোগ আরও বেড়ে গেছে। আর এই অভিযোগ গুলো দেখেই NHAI সেনাকে সন্মান জানানর নির্দেশ জারি করেছে।

শনিবার উত্তর প্রদেশের সিবায়া টোল প্লাজায় জ্যাম পড়েছিল। ফাস্টট্যাগ লেন থেকে যখনই সেনার গাড়ি সেখানে পৌঁছায়, তখনই টোল প্লাজায় উপস্থিত কর্মীরা সন্মানের সাথে সাথে সাবধান স্থিতিতে দাঁড়িয়ে জওয়ানদের স্যালুট জানায়। শুধু তাই নয়, গাড়িতে থাকা সেনার জওয়ানরাও সম্পূর্ণ সন্মানের সাথে আর হাসি মুখে স্যালুট করে সেখান থেকে চলে যান।

 

টোল প্লাজায় জ্যাম আর অন্যান্য কারনের জন্য প্রায় দিনই তর্কাতর্কি, মারপিট এবং ভাঙচুরের ঘটনা দেখা যায়। কিন্তু শনিবার এই দৃশ্য দেখে সেখানে থাকা যাত্রীদের মধ্যেও চর্চা শুরু হয়। যখন টোল কর্মীরা সেনার গাড়িকে স্যালুট করে সন্মান জানায়, তখন সেখানে থাকা যাত্রীরা গাড়ি থেকে নেমে জিজ্ঞাসা করেন ব্যাপার কি? কারণ তাঁরা এর আগে এরকম দৃশ্য কোনদিনও দেখেনি।

এরপর টোল কর্মীরা বলেন, সেনার সব গাড়ির জন্য এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে। এই কথা শুনে যাত্রীরাও বলেন এটা সঠিক পদক্ষেপ, সেনাকে সবার সন্মান জানানো উচিৎ।

রাম মন্দিরে সোনার গর্ভগৃহ বানানোর জন্য দুই কোটি টাকা দান করল মহাবীর মন্দির ট্রাস্ট

অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ট্রাস্ট গঠনের পরেই মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের (Mahavir Mandir Trust) সচিব কিশোর কুণাল (Kishor Kunal) ২ কোটি টাকার চেক নিয়ে অযোধ্যায় পৌঁছান। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় কিশোর কুণাল বলেন, মন্দির নির্মাণের জন্য সময় লাগবে, কিন্তু রামলালা মন্দিরে স্থাপন করার জন্য সেখানে সবার আগে মন্দিরের গর্ভগৃহ নির্মাণ করতে হবে। কুণাল এও বলেন, যদি এর জন্য অনুমতি পাওয়া যায়, তাহলে মহাবীর ট্রাস্ট এক টাকাও চাঁদা না নিয়ে গর্ভগৃহ বানিয়ে দেবে।

কুণাল বলেন, আমি দুই কোটি টাকার চেক নিয়ে পাটনা থেকে অযোধ্যা এসেহি। আমরা মোট ১০ কোটি টাকা দেব। মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হলেই, আমরা ফান্ড দিতে থাকব। আমরা বলেছিলাম যে, ট্রাস্টের ঘোষণার সাথে সাথে যখন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলবে তখন আমরা দুই কোটি টাকা দেব।

উনি বলেন, যদি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মডেলে মন্দির বানানো হয়, তাহলে সময় কম লাগবে। আমরা নির্মাণ অনুযায়ী টাকা দিয়ে দেব। উনি বলেন, গগনচুম্বী মন্দির বানাতে গেলে সময় বেশি লাগবে, আমরা প্রতি বছর টাকা দেব। আমরা ২০১৬ সালেই রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১০ কোটি টাকা আলাদা করে রেখেছিলাম।

কুণাল বলেন, আমাদের এখানে রাম রসোই চালানো হয়। এখানে রোজ দেড় থেকে দুই হাজার মানুষকে খাওয়ার খাওয়ানো হয়। কিশোর কুণাল বলেন, ত্রেতা জুগে ভগবান রাম ১৪ বছর পর্যন্ত বনবাসে ছিলেন। কিন্তু কলিযুগে ভগবান দীর্ঘদিন তাবুতে কাটিয়েছেন।

 

রাজ্যে সিএএ লাগু করতেই হবে, এটা কেন্দ্রের আইন! বললেন রাজস্থান বিধানসভার স্পীকার সিপি জোশি

রাজস্থান বিধানসভার স্পীকার ( Speaker of Rajasthan Legislative Assembly) সিপি জোশি (C P Joshi) বলেন, নাগরিকতা সংশোধন আইন (CAA) রাজ্য সরকারকে লাগু ক্রতেই হবে। এটা কেন্দ্রের বিষয়, রাজ্যের না। সিপি জোশি সাত ফেব্রুয়ারি রাজ্যের উদয়পুরে মীরা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার সমারোহ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেওয়ার সময় বলেন, ভারত সরকার নাগরিকতা সংশোধন আইন পাশ করেছে আর রাজ্যের সরকারকে এই আইন লাগু করতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী, নাগরিকতা কেন্দ্রের বিষয়, রাজ্যের না।

উনি বলেন, রাজ্য সরকার সমবর্তী সূচির বিষয়ে আইন বানাতে পারবে। যেমন মোটরসাইকেল ভেহিকেল অ্যাক্ট অনুযায়ী কেন্দ্র আইন বানিয়েছে। রাজ্য ইচ্ছে করলে এটি লাগু নাও করতে পারে। কিন্তু আইন অনুযায়ী কনকরেন্ট সাবজেক্টে সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট যদি কোন আইন বানায়, তাহলে কোন রাজ্যই ওই আইনকে ঠেকাতে পারবে না।

সিপি জোশি বলেন, সিটিজিনেশিপ আইন বানানো ভারত সরকারের কাজ। আপনি ভোট দিয়ে দেশের ক্ষমতা বদলাতে চান। দেশের নীতি পরিবর্তন করতে চান, কিন্তু ভোটারদের শিক্ষিত করতে চান না। শিক্ষিত যুবকেরা এবার ভোটারদের শিক্ষিত করবে।

এই সংস্কার যদি আমরা ছাত্র সঙ্ঘের নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন জেনারেশনকে না দিতে তাহলে আগামী দিনে সংসদীয় গণতন্ত্রের সামনে একটা বড় প্রশ খাড়া হয়ে যাবে।

অবৈধ বাংলাদেশি, পাকিস্তানিদের ভারত থেকে তাড়ানোর দাবিতে আজ মহার‍্যালি করবেন ঠাকরে

মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (MNS) এর প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray) নিজের হিন্দুত্ববাদী গতিবিধিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য রবিবার পথে নামছেন। আজ রবিবার তিনি ভারত থেকে অবৈধ বাংলাদেশি আর পাকিস্তানিদের তাড়ানোর দাবি নিয়ে একটি র‍্যালি করবেন। এই র‍্যালিতে রাজ ঠাকরের সাথে ওনার ছেলে অমিত ঠাকরেও (Amit Thackeray) উপস্থিত থাকবেন।

এই র‍্যালিতে MNS এর হাজার হাজার কর্মী আর নেতা থাকবেন। এই র‍্যালি হিন্দু জিমখানা থেকে শুরু হয়ে ম্যারিন ড্রাইভ থেকে দক্ষিণ মুম্বাইয়ের আজাদ ময়দানে গিয়ে সমাপ্ত হবে। সেখানে রাজ ঠাকরে একটি জনসভাও করবেন। এই র‍্যালি শান্তিপূর্ণ ভাবে করানোর জন্য পুলিশ বাহিনী মোতায়েন থাকবে। এর আগে মুম্বাই পুলিশ MNSকে দক্ষিণ মধ্য মুম্বাইয়ের মুসলিম বহুল এলাকা দিয়ে এই র‍্যালি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি রোড করে দেয়।

মুম্বাই পুলিশের মুখপাত্র জানান, ‘স্থানীয় পুলিশ ছাড়াও রাজ্যের রিসার্ভ পুলিশ ফোর্স, দাঙ্গা রোধী ফোর্স, বোম্ব স্কোয়াদ আর ৬০০ অতিরিক্ত পুলিশ কর্মী মোতায়েন থাকবেন।” উনি বলেন, ভীরে ইউনিফর্ম ছাড়াও পুলিশ থাকবে, আর ড্রোন এবং সিসিটিভির মাধ্যমে সমস্ত কিছুতে নজর রাখা হবে।

MNS প্রচারের জন্য টিজার লঞ্চ করেছে। যদিও MNS এটাও স্পষ্ট করেছে যে, এই র‍্যালি সিএএ, এনআরসি আর এনপিআর এর সমর্থনে না। এই র‍্যালি ভারতে অবৈধ ভাবে থাকা বাংলাদেশি আর পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে।

Delhi Election 2020: মুসলিম এলাকায় বাম্পার ভোটিং! সবথেকে এগিয়ে সিলমপুর

শনিবার দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Assembly Elections) জন্য ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ৭০ টি আসনে দুপুরের মধ্যে বেশ কম ভোট পড়ে। কিন্তু দিনের শেষের দিকে ভোটিং বুথে ভোটারদের লাইন দেখতে পারা যায়। বিশেষ করে মুসলিম বহুল এলাকা গুলোতে সবথেকে বেশি ভোট পড়ে। পূর্ব দিল্লী সিলমপুরে (seelampur) ৭১ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানা যায়।

নির্বাচন কমিশন অনুযায়ী, দিল্লীতে ৬১.৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। আপনাদের জানিয়ে রাখি কমিশনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে ভোট কত শতাংশ পড়েছে সেটা জানা যায়, যদি গতবারের সাথে তুলনা করা হয়, তাহলে এবছর গত বারের তুলনায় ৬ শতাংশ কম ভোট পড়েছে, ২০১৫ সালে ৬৭.১২ শতাংশ ভোট পড়েছিল দিল্লী বিধানসভা নির্বাচনে।

পরিসংখ্যানের দিকে নজর দিলে দিল্লীর সিলমপুরে সবথেকে বেশি ৭.১.৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরপর মুস্তফাবাদে ৭০.৫৫ শতাংশ। বদরপুরে ৬৫.৪ শতাংশ। আর সীমাপুরীতে ৬৮.০৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এরপর শাহাদরায় ৬৫.৭৮%। মটিয়ামহলে ৬৮.৩৬%। যদিও এই পরিসংখ্যান ফাইনাল না, এগুলোতে বদলও হতে পারে।

যেই মুসলিম বহুল এলাকা গুলোতে কম ভোটিং হয়েছে সেগুলো হল, চাঁদনি চৌক ৬০.৯১%। রিঠালা ৫৯.৬২%। বললিমারন ৫৮.২৮% আর ওখলা ৫৮.৩৩%। আপনাদের জানিয়ে রাখি, ওখলা বিধানসভা এলাকার মধ্যে শাহিনবাগ পড়ে। শাহিন বাগে বিগত প্রায় দুই মাস ধরে নাগরিকতা সংশোধন আইনের (CAA) বিরুদ্ধে প্রদর্শন চলছে। ২০১৫ সালের নির্বাচনে মুস্তফাবাদ বাদ দিলে সব আসনেই আম আদমি পার্টি জয় হাসিল করেছিল। মুস্তফাবাদ থেকে বিজেপির প্রার্থী জগদীশ প্রধান জয়ী হয়েছিলেন।

পাকিস্তান থেকে আগত ৫০ টি হিন্দু পরিবার হরিদ্বারে করলো পুণ্য স্নান, বললো- আমরা ভারতে থাকতে চাই

CAA নিয়ে পুরো দেশে চর্চা চলছে। এই আইনের আওতায় পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশের নাগরিকদের নির্যাতিত হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, পারসি, জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। 31 ডিসেম্বর 2014 এর আগে যারা এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। CAA নিয়ে চলমান আলোচনার মধ্যে সোমবার আতারি-ওয়াগাহ সীমান্ত হয়ে ৫০ টি হিন্দু পরিবার ভারতে পৌঁছেছিলেন।

এই পরিবারগুলির কাছে অনেক মালপত্র রয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে এনারা আর পাকিস্তান ফিরতে নাও পারেন।পাকিস্তান থেকে আগত ৫০ টি পরিবারের কাছে ২৫ দিনের ভিসা আছে। এখন সব পরিবারগুলি হরিদ্বারে রয়েছেন। পাকিস্তান থেকে আগত লক্ষণ দাস নামের এক ব্যাক্তি বলেছেন আমি হরিদ্বারে পুন্য স্নানের পর নিজের ভবিষ্যত ঠিক করবো।

লক্ষণ দাস সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় বলেন, আমরা ভারতে থাকতে চাই। পরিবারগুলি সংবাদ মাধ্যমকে কাছে পেয়ে পাকিস্তানে থাকা হিন্দুদের অবস্থার কথা বলতে শুরু করে। পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দুরা বলেন, ভারত আমাদের জন্য সবথেকে শ্রেষ্ঠ দেশ আমরা এখানেই থাকতে চাই।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের উপর কট্টর সংখ্যাগুরুদের অত্যাচার লেগেই থাকে। সংখ্যালঘু মেয়েদের ধর্ষণ, খুন ইত্যাদি অত্যাচার সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এখন CAA পাশ হওয়ার পর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের হিন্দুদের মনে একটু আশার আলো জেগেছে। যদিও এই নাগরিকদের জন্য এই নিয়ম লাগু হবে না। পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দুরা বলেন, ভারত আমাদের জন্য সবথেকে শ্রেষ্ঠ দেশ আমরা এখানেই থাকতে চাই। পাকিস্তানে আমরা অত্যাচারিত হয় কিন্ত এখানে থাকলে সুরক্ষিত থাকবো।

আদিবাসী বাচ্চাকে দিয়ে জুতো খোলালেন রাজ্যের মন্ত্রী! ঘটনা সামনে আসতেই সাফাই মুখ্যমন্ত্রীর

তামিলনাড়ুর বন মন্ত্রী (Tamil Nadu forest minister) এক আদিবাসী বাচ্চার থেকে নিজের জুতো খোলান। এরপরেই জড়িয়ে পড়েন বিতর্কে।

এরপর তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পলানিস্বামী (Palaniswami) শনিবার বলেন, বন মন্ত্রী ডিসি শ্রীনিবাসনের (Dindigul C Sreenivasan) পায়ে কাঁটা ফুটেছিল, আর সেটাই তিনি ওই বাচ্চাটিকে বের করতে বলেছিলেন। মন্ত্রী শ্রীনিবাসন শুক্রবার বাচ্চা আর তাঁর মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে মিডিয়ার উপর দোষ চাপান।

উল্লেখনীয়, বৃহস্পতিবার বন মন্ত্রী মুদুমলাইয়ে ব্যাঘ্র অভয়ারন্ন এর থেপ্পাক্কাডুতে বন্য হাতি পুনরুদ্ধার শিবিরের উদ্বোধন করতে গেছিলেন। খবর অনুযায়ী, মন্ত্রী যখন জেলা শাসক আর অন্যান্য আধিকারিকদের সাথে শিবির পরিদর্শন করছিলেন, তখন উনি মন্দিরে প্রবেশ করার আগে আদিবাসী বাচ্চাকে ডেকে সবার সামনে জুতো খুলে দিতে বলেন। আদিবাসী বাচ্চা দ্বারা মন্ত্রীর জুতো খোলার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর চারিদিকে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়।

শনিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পলানিস্বামী সংবাদমাধ্যমকে জানান শ্রীনিবাসন ঝুঁকতে পারছিলেন না, আর সেই জন্য তিনি পায়ে ফুটে যাওয়া কাঁটা বের করার জন্য আদিবাসী বাচ্চার সাহায্য নেন।

CAA নিয়ে জ্ঞান দিতে গিয়েছিল কানাইয়া কুমার! জুতো, চপ্পল নিয়ে তেড়ে এলো জনতা, পালিয়ে বাঁচলো প্রাণ

বিহারে জেএনইউ এর প্রাক্তন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা এবং CPIM নেতা কানহাইয়া কুমারের (Kanhaiya Kumar ) কাফেলাতে আক্রমণ করা হয়েছে। এই নিয়ে ৩০ ঘন্টায় ৪ বার কানাইয়া কুমারকে আক্রমন করা হয়েছে। এই আক্রমণে কানহাইয়া ও তার ড্রাইভার আহত হয়েছেন। আক্রমণটি বিহারের সুপল শহরে হয়েছে। বলা হচ্ছে যে কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি তার কাফেলার উপর পাথর ছুঁড়েছে যার ফলে গাড়ির চালকের মাথা ফেটে গেছে। এছাড়া কানহাইয়া কুমারও আহত হয়েছেন এবং তাকে কাছের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবারও বিহারের মধেপুরা জেলায় বাম নেতা কানহাইয়া কুমারের উপর আক্রমন করা হয়েছিল।

রিপোর্ট অনুযায়ী খবরে বলা হয়েছে, কানহাইয়া কুমারের কাফেলার সাথে জড়িত দুজন ব্যক্তি আহত হয়েছে এবং দুটি গাড়ির কাচও ভেঙে গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। এর আগে আজই ঝঞ্জারপুরে CPIM নেতা কানহাইয়ার কাফেলাকে একটি কালো পতাকা দেখানো হয়েছিল। কানহাইয়া কুমার ঝাঁঝারপুরের পরে সুপৌলে পৌঁছেছিলেন।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটার দিকে বৈঠক শেষে কানহাইয়া কুমার তার কাফেলা নিয়ে সাহারসার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাঁর কাফেলার আগে ও পিছনে ছিল কঠোর সুরক্ষা। সেই সময়ে, শহরের সদর থানার কাছে দাঁড়িয়ে 25-30 জন লোক সিএএ, এনআরসির সমর্থনে স্লোগান দিচ্ছিল। কানহাইয়া কুমারের গাড়িটি পাশ দিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কিছু লোক গাড়িতে কালো কালি ছুঁড়ে মারে।

কানহাইয়া কুমারের কাফেলার আগে পিছনে থাকা গাড়ি থেমে যাওয়ায় সেখানে জ্যাম সৃষ্টি হয়। এর পরে পুলিশ যানবাহন গুলিকে সরিয়ে জ্যাম সরানোর কাজ করতে থাকে। সেই সময়েই কিছু লোক পিছন থেকে পাথর মারতে শুরু করে। পাথর দিয়ে মারার কারণে কানহাইয়া কুমারের আহত হয়। কিপরে কঠোর সুরক্ষার মধ্যে দিয়ে সমস্ত যানবাহন বার করে নেওয়া হয়।

জম্মু কাশ্মীরে গ্রেফতার পাঁচ সক্রিয় জঙ্গি, শহীদ এক জওয়ান

পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা অকারণে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘন করে জম্মু কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুঞ্ছ জেলায় ছোট হাতিয়ার দিয়ে ফায়ারিং করে। বিনা প্ররোচনায় এই গুলি চালানোর ঘটনায় এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন আর তিন জওয়ান আহত হয়েছেন। আধিকারিক জানান, পাকিস্তানের ফায়ারিং এর সময় জওয়ান দেগবার সেক্টরের অগ্রিম পুলিশ ছাউনিতে মোতায়েন ছিলেন। আরেকদিকে জম্মু কাশ্মীরে সেনা (indian army) পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে।

সেনার মুখপাত্র জানান, পাকিস্তান দুপুর ৩ঃ৪৫ নাগাদ অকারণে যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘন করে ছোট হাতিয়ার দিয়ে ফায়ারিং শুরু করে এবং মর্টার ফায়ার করে। মুখপাত্র জানান, ভারতীয় সেনা এই যুদ্ধ বিরতি লঙ্ঘনের যোগ্য জবাব দিয়েছে। আধিকারিক জানান, ভারতের জবাবি ফায়ারিংয়ে পাকিস্তানের সেনার কতটা ক্ষতি হয়েছে সেটা জানা যায়নি।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুই তরফ থেকেই গোলাগুলি চলছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, পাকিস্তান ভারতীয় সেনার ছাউনি ছাড়াও গ্রাম্য এলাকা গুলোকে নিশানা বানায়। এরফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আধিকারিক জানান, যদিও পাকিস্তানের ফায়ারিংয়ে কোন গ্রামবাসীর ক্ষতি হয়নি।

আরেকদিকে, জম্মু কাশ্মীরের আলাদা আলাদা জায়গা থেকে সেনা জঙ্গি সংগঠনের পাঁচ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। আধিকারিকরা শনিবার এই তথ্য দেন। আধিকারিকরা জানান, ‘বিশেষ সূচনা পাওয়ার পর পুলিশ বডগাম এর চদুরা এলাকায় সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন হিজবুল মুজাহিদ্দিন এর গ্রুপের উপর হানা দেয়।”

আধিকারিক জানান, পুলিশের তল্লাশিতে বডগাম থেকে শাফি ডার, শাব্বির আহমেদ গনি আর মুদাসির আহমেদ খানকে গ্রেফতার করেছে। উনি জানান, ‘এই জঙ্গিরা বিগত কয়েকমাস ধরে এলাকায় সক্রিয় ছিল। আর এরা অনেক জঙ্গি গতিবিধিতে যুক্তও ছিল।”

চীনে আমাদের নাগরিকরা মারা গেলেও আমরা ভারতের সাহায্য নিয়ে তাদের ফিরিয়ে আনবো না: পাকিস্তান

করোনা ভাইরাসের দরুন ভারত সরকার চিনে থাকা নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার কাজে নেমেছে। ভারত (India) এখনও অবধি ৩,৪ ধাপে স্পেশাল বিমানের মাধ্যমে  ভারতীয়দের চিনে ফিরিয়ে এনেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার তাদের নাগরিকদের মরার জন্য ছেড়ে দিয়েছে। পাক সরকার বলেছে মরা বাঁচা কারোর হাতে নেই। একটা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতের দূতাবাস থেকে বাস পাঠানো হয়েছে ভারতীয় ছাত্রদের জন্য যাতে তাদের এয়ারপোর্ট অবাধি নিয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু সেখানেই পাকিস্তান ছাত্ররা সেটা দাঁড়িয়ে করুন দৃষ্টিতে দেখছে। পাকিস্তান তার আচরণের জন্য ভারতের শত্রু হলেও ভারতীয়রা এই করুন ভিডিও দেখে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও পাক সরকারকে ধিক্কার জানিয়েছেন।

এখন ভারত সরকারও জানিয়েছে, যদি পাকিস্তান অনুরোধ করে তাহলে মানবতার খাতিরে পাকিস্তানি ছাত্রদের বের করে নিয়ে আসা হবে। তবে পাকিস্তান যা বলেছে তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। পাকিস্তানের তরফে ইঙ্গিত দিয়ে বলা হয়েছে তারা তাদের নাগরিকদের হারিয়ে ফেলবে তাও ভালো তবুও ভারতের সাহায্য নেবে না। অর্থাৎ যদি পাকিস্তানের নাগরিকরা চীনে মারা যায় তা সত্ত্বেও ভারতের সাহায্য নিয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে না।

পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি, ইসলাম ও আল্লাহর দোহাই দিয়ে পাক সরকারের কাজের সমর্থন করেছে। পাকিস্তানের সরকার কোনোভাবেই চীনে আটকে থাকা নাগরিক তথা ছাত্রদের ফিরিয়ে আনতে রাজি নয়। আর এখন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি পাক সরকারের সমর্থনে নেমে টুইট করতেও শুরু করেছেন। উনি বলেছেন এই বিপদের সময় চীন থেকে বেরিয়ে আসা উচিত নয়।

অন্যদিকে চীনে থাকা পাকিস্তানি ছাত্ররা বার বার করে তাদের উদ্ধারের জন্য ইমরান সরকারের থেকে অনুরোধ করেছেন। পাকিস্তানি ছাত্রদের আত্মীয় পরিজনরাও ইমরান সরকারকে চাপ দিয়েছে তাদের ছেলে মেয়েকে ফেরত আনার প্রসঙ্গে। কিন্তু পাকিস্তান নিজের নাগরিকদের আপাতত পর করে দিতেই রাজি। এমন অবস্থায় ভারতের দেওয়া অফারকে প্রত্যাখ্যান করেও যে পাক সরকার ভুল করেছে তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

Design a site like this with WordPress.com
Get started